কণ্ঠশিল্পী মিলা ও তার স্বামীর ঘটনা এখন কারও অজানা নয়। আর মিলা নিজেই এখন সব কিছু তুলে ধরছেন তার ফেসবুকের মাধ্যমে।

মিলা বরাবরই বলে আসছেন দশ বছরের প্রেম করেও তিনি যে তথ্য পাননি সেই তথ্য তিনি জানতে পেরেছেন বিয়ের তের দিন পর। এবং তিনি সেটা প্রমাণও করেছেন তার ফেসবুকে।

গত কয়েকদিন আগে তার স্বামী ও জান্নাত নামের একজনের ফেসবুকে চ্যাটিং এর ৮৬টি স্ক্রিনশট দিয়েছেন এবং মেয়েটির সঙ্গে একটি ছবিও পোস্ট করেছেন।

এরপর আরও একটি নতুন ছবি পোস্ট করেছেন তিনি, ছবিটিতে দেখা যাচ্ছে একই বিছানায় পারভেজের সঙ্গে জান্নাত নামের মেয়েটি আছেন। পারভেজ যখন ঘুমাচ্ছিলেন মেয়েটি তখন সেলফি তুলেছেন। এখন পাঠকের মনে প্রশ্ন আসতেই পারে, তাহলে এত কিছু কিভাবে মিলা জানলেন? এই প্রশ্নের উত্তর মিলা নিজেই দিয়েছেন।

এ নিয়ে তিনি ফেসবুকে বলেন, ‘আমার বিয়ের ১৮ তম দিনে কথাবার্তা বলতে গিয়ে আমার স্বামী তার পরকীয়ার ব্যাপারে ধরা খেয়ে যায়। আমার প্রিয় স্বামী অনেকগুলো মেয়ের সাথে পরকীয়ায় জড়িয়েছেন। কেন আমি এ সব ১০ বছরেও জানতে পারলাম না? স্বামীর অনেক বিষয় আছে যা স্ত্রী একদিনে বুঝে ফেলতে পারে। কিন্তু প্রেমিকা ১০০ বছরেও পারে না। আমার স্বামী যখন দেশের বাইরে যায়, আমি আমার মেইল চেক করার জন্য তার কম্পিউটার চালু করি। আমি দেখতে পাই তার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট লগ ইন করা। যেটার এক্সেস ও আমাকে কোনদিন দেয় নাই। এবং আমি তার ফ্রেন্ড লিস্টেও ছিলাম না। কারণ সে প্রাইভেসি মেইন্টেইন করতে চাইতো। এই ১৩ দিনে আমি তার সম্পর্কে যা জানতে পারলাম, সেটা ১০ বছরেও জানতে পারিনি।’

এ বিষয়ে মিলার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘আমি যা বলার সব কথা পাবলিকলি বলেছি। আমার ভেরিফাইড ফেসবুকে যে ধারাবাহিক ভাবে আমার এবং পারভেজের সম্পর্কে যা লিখেছি এবং যে সমস্ত স্ক্রিনশট দিয়েছি তা সবই সত্য। এ ব্যাপারে আলাদা করে বলার কিছু নেই। আমি ন্যায্য বিচার চাই। এতটুকুই আমার চাওয়া। আমি আইনি লড়াই লড়ে যাচ্ছি। সামনে আরও অনেক কিছু দেখতে পারবেন।’

উল্লেখ্য, মিলা ধারাবাহিকভাবে তার ফেসবুক ভেরিফাইড পেজে একের পর এক তথ্য দিয়ে যাচ্ছেন তার স্বামীর বিরুদ্ধে। প্রথমে বিচ্ছেদ, তারপর তাকে নির্যাতন করেছেন মানসিক ও শারীরিক ভাবে। আবার বিচ্ছেদে যাচ্ছেন না, যৌতুক দাবি করেছেন শ্বশুর বাড়ির লোকজন। এরপর বললেন তাকে তার স্বামীর বন্ধু বান্ধব এবং পরিবারের লোকজন হুমকি-ধামকি দিচ্ছে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *